গরম ভাতের সাথে চাল কুমড়োর ডাল ! দুপুরের খাওয়া হয়ে যায় !
সংস্কৃত ভাষায় চাল কুমড়ো কে ‘কুষ্মাণ্ড’ বলা হয়। বাজারে আমরা দু রকমের কুমড়া দেখতে পাই— লাল হলুদ কুমড়া আর সাদা চালকুমড়া। দামে অপেক্ষাকৃত কম হলেও দু ধরনের কুমড়াই গুণের ভরপুর । চালকুমড়ার বৈজ্ঞানিক নাম হল বেনিনকাসা হিসপিডা। করোনাকালে ডাক্তাররা হলুদ রঙের ফল, হলুদ রঙের তরকারি বেশি করে খেতে বলছেন। কারণ এগুলোতেই আছে বেশি মাত্রায় স্বাস্থ্যের পক্ষে প্রয়োজনীয় ভিটামিন।
খেয়েছেন কখনো চাল কুমড়োর ডাল ? ভাবছেন এটা আবার কি । চালকুমড়া থেকে আবার ডাল কিভাবে তৈরি হবে ? ভাবছেন কি উল্টো পাল্টা । না সত্যি একবারে ঠিক এইভাবেই খেয়ে দেখুন চলকুমরোর ডাল । মুখে লেগে থাকবে । চলুন দেখে নিই রেসিপি।
তৈরির উপকরণ :
১. সরিষার তেল
২. পাঁচফড়ন
৩. রসুন
৪. পেঁয়াজ
৫. মুসুর ডাল
৬. চালকুমড়া
৭. টমেটো
৮. গরম মসলার গুঁড়ো
৯. ধনেপাতা
১০. কাচা লঙ্কা
তৈরির উপায় :
প্রথমে চালকুমড়া টা কুচি কুচি করে কেটে নিয়ে লবণ দিয়ে মাখিয়ে রাখতে হবে । তারপর কড়াই তে সরষের তেল দিয়ে তেলটা গরম হলে তাতে পাঁচফোড়ন ফোরণ দিয়ে রসুন থেঁতো করে দিতে হবে। রসুনটা একটু লাল হয়ে এলেই পেঁয়াজ কুচি ও টমেটো কুচি তেলের মধ্যে ছেড়ে দিতে হবে। পেঁয়াজটা লাল লাল হয়ে এলে তাতে মসুর ডালটা দিয়ে হালকা করে ভেজে নিতে হবে। ভাজা হয়ে গেলে তাতে চাল কুমড়াটা ছেড়ে দিতে হবে । তারপর পরিমাণমতো নুন হলুদ কাঁচা লঙ্কা দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ নেড়ে নিতে হবে। তারপর গ্যাসটা কে লো ফ্রেমে রেখে ঢাকা দিয়ে রাখতে হবে বেশ কিছুক্ষণ। চাল কুমড়ার জলেই ডালটি সেদ্ধ হয় বলেই এর নাম চাল কুমড়োর ডাল । ঢাকা নামিয়ে নিরে নিতে হবে। ঠিক এইভাবেই কিছুক্ষণ পর পর ঢাকা নামিয়ে নেড়ে নিতে হবে কারণ মসুর ডাল গুলো নিচে লেগে যেতে পারে। তারপর চাল কুমড়োটা মোজে গেলে এবং ডালটা সেদ্ধ হয়ে গেলে তার ওপর একটু গরম মসলা ও ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে নামিয়ে নিলেই তৈরি চাল কুমড়োর ডাল।


Try korbo
ReplyDeleteSundar
ReplyDeleteBah
ReplyDeleteWOW
ReplyDeleteValo likhechis
ReplyDeleteসুস্বাদু
ReplyDeleteKhete hbe
ReplyDeleteনুতন কিছু দেখতে হবে
ReplyDeleteBha ...akdin to try korte hobe
ReplyDeleteখাওয়া!! 🥺
ReplyDeleteBahhh!👍
ReplyDeleteI try this recipe ✨
ReplyDeleteI try this recipe ✨
ReplyDeleteTry kore dekhbo ata 👌
ReplyDeleteTry kore dekhbo ata 👌
ReplyDeleteWowww
ReplyDelete