" ডিম মাখা মুসুর ডাল" ! হয় নাকি?

 


ডিম আর মুসুর ডাল ,  দুটোই আমাদের শরীর এ প্রোটিন যোগায়। যেমন ডিম খেতে ভালোবাসে না এমন কেউ নেই তেমনি মুসুর ডাল খেতে ভালোবাসে না এমন লোক ও বিরল । তবে দুটোকে একসাথে যদি কিছু নতুন রান্না করা যায়... আজ আমি আপনাদের দেখাবো ডিম মাখা মুসুর ডাল এর রেসিপি। কেমন হয় খেতে নিজে বানিয়ে খেয়ে দেখুন , তবেই বুঝবেন এর স্বাদ। 


রান্নার প্রণালী: 


প্রথমে  কড়াই তে একটু সোর্সের তেল নেবো। এবার তেল গরম হলে তাতে দুটো কাচা ডিম ভেঙে ছেড়ে দিয়ে ডিম এর ভূজিয়া বানিয়ে তুলে রেখে দেবো। তারপরে আবারও কড়াইতে একটু সোর্সের তেল নিয়ে তাতে এক দু চামচ জিরে, দুটো কাচা লংকা ,গ্রেট করা আদা রসুন দিয়ে একটু নেড়ে নিয়ে তারপরেই আবার মিডিয়াম সাইজ এর একটা পেঁয়াজ, কুচি কুচি করে কেটে রাখা, সেই পেঁয়াজ কুচি গুলো করাতে দিয়ে একটু লাল লাল করে ভেজে নেবো। এবার আমি পেঁয়াজ কুচি গুলো লাল লাল করে ভেজে নিয়ে তাতে টমেটো কুচি গুলো দিয়ে আবার খানিকটা নাড়িয়ে নেবো। তারপর একটু নেরে নিয়ে তাতে পরিমাণ মত হলুদ , লংকা গুঁড়ো, জিরে, ধনে গুঁড়ো দিয়ে পুরো মসলা গুলো ভালো করে ভেজে নেবো। ভাজা হয়ে গেলে এবার আমি ধুয়ে রাখা মুসুর ডাল গুলো কড়াতে দিয়ে দেবো এবং আবারও একটু ভেজে নেবো। ভাজা হয়ে গেলে এবার আমি ডাল সেদ্ধ এর জন্য পরিমাণ মত জল ঢেলে নেবো। জল তোমরা তোমাদের পরিমাণ মত নেবে। আমি খুব বেশি জল নেবনা কারণ আমি ডাল টা মাখো মাখো বানাবো। জল নিয়ে সেদ্ধ তে বসিয়ে ঢাকনা লাগিয়ে  কিছুক্ষন রেখে দেবো। এবার ডাল সেদ্ধ হয়ে গেলে ঢাকনা তুলে নেবো এবং পরিমাণ মত লবণ দেবো। জল বেশি শুকিয়ে গেলে তোমরা সামান্য পরিমাণ জল  দিয়ে নিতে পারো। এবার আমি ডিম দিয়ে বানিয়ে রাখা ভুজিয়া গুলো ডাল এর মধ্যে ছেড়ে দেবো এবং সাথে ধনে পাতা কুচি গুলোও দিয়ে দেবো। ব্যাস এবার কিছুক্ষন ডাল টা কে ফুটিয়ে নিলেই রেডি ডিম মাখা মুসুর ডাল এর রেসিপি । 

Comments

Post a Comment

Popular posts from this blog

সয়াবিন আলুর বড়ার তরকারি! খেয়ে দেখুন কেমন লাগে

শেষ পাতে খেয়ে দেখুন চিংড়ি মাছের টক !